বাংলাদেশ

কলারোয়ায় মাদ্রাসার ছাত্রের বিষপানে অাত্নহত্যা

ফারুক হোসেন রাজ
কলারোয়া(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার রায়টা দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র মিরাজ হোসেন (১৭) বিষপান করে আত্নহত্যা করেছেন।

বুধবার (১২ জুন ১৯) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত টিকিৎসক ডাঃ মাহদি আল মাসুদ তাকে মৃত ঘোষনা করেন। আত্নহননকারী মিরাজ হোসেন (১৭) ১১নং দেয়াড়া ইউনিয়নের ছলিমপুর
গ্রামের আক্তারুল ইসলামের ছেলে।

ডাঃ মাহদি আল মাসুদ (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফোন কলে) জানান, সকালে ফসলের (কীটনাশক বিষ) অতিরিক্ত মাত্রায় পান করে আত্নহত্যার চেষ্টা করেন। দুপুরে হাসপাতালে অচেতন অবস্থায় খুবই মুমুর্ষভাবে রোগীকে ভর্তি করেন নিহতের চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন। হাসপাতালে পক্ষথেকে সর্বচ্চ প্রচেষ্টায় সুচিকিৎসার মাধ্যমে (অচেতন মিরাজকে) ওয়াস করে পুরুষ ওয়ার্ডের বেডে ভর্তি করার ১০মিনিট পরেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃতবরন করেন।

পিতা আক্তারুল ইসলাম জানান, নিহত মিরাজ দীর্ঘদিন যাবত মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিমের কাজ করতেন। বুধবার সকালে নিহত মিরাজ হোসেন তার ছোট ভাইয়কে সাথে নিয়ে গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাফেরা করে বাড়ীতে চলে আসেন। পরে বাবা আক্তারুল ইসলামের স্থানিয় ছলিমপুর বাজারে ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসতে বললে মিরাজ বসতে অস্বিকার করে খোরদো বাজারে যাবেন বরে সম্মতি জানায়। দূর্ভাগ্যবসত সেখানে না গিয়ে সবার অজান্তে নির্জন মাঠে বিষপান করে বাড়িতে এসে (আমি বাঁচতে চায় বলে) নিজেই বিষপানের ঘটনাটি সকলকে জানাই।

চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর ও রুবেল হোসেন বলেন, মিরাজ দীর্ঘদিন যাবত মানসিক সমস্যায় ভুগছিলো হয়ত তার সুত্রপাতে এমন ঘটনা ঘটেছে। সংস্লিষ্ট ঘটনাটি জানামাত্রই অচেতন অবস্থায় আমরা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য মিরাজকে ভর্তি করার পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওয়াশ করে চিকিৎসা শেষে বেডে দিয়ে দিলে কিছুক্ষণ পরে বেডেই মৃত্যু হয়।

থানা সূত্রে জানাযায়, এসআই সুবীর কুমারের সার্বিক তত্বাবাধনে নিহত মিরাজের অপমৃত্যু মামলা নং (১৯) ১২/৬/১৯ দায়ের করা হয়েছে।
লাশ পোর্স্টমাডামের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে সুরোতহাল শেষে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে বলে জানান।

Tags
Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close