বাংলাদেশরাজনীতিসাক্ষাতকার

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হলেন ফারুক হোসেন।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত হওয়া একজন ছাত্রলীগ কর্মীর আত্মজীবনীর গল্প। মফস্বল থেকে রাজধানীতে আসার পরে ভর্তি হয় ঢাকা কলেজে সেখান থেকে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে। আজ তিনি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ- সম্পাদক। রয়েল নিউজ এর নিজস্ব প্রতিনিধি মোঃ রবিউল ইসলাম এর সাক্ষাৎ এ জেনে নিবো এমনই একজন যোদ্ধার গল্প।

প্রশ্ন  ও উওর  পর্ব

 আপনার নাম,পিতা মাতা ও ভাই বোন সংখ্যা সম্পর্কে জানাবেন? 

আমার নামঃ মোঃ ফারুক হোসেন।
গ্রামঃ শ্রীফলকাটী।
পোস্টঃ ঈশ্বরীপুর।
থানাঃ শ্যামনগর।
জেলাঃ সাতক্ষীরা
পিতার নামঃ জি এম আব্দুস সোবহান। মাতা কোহিনুর বেগম। মোট ৪ ভাই বোন, ভাই আমি একা। সবার বড় আমি।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক ফারুক হোসেন

ঢাকায় শিক্ষা  জিবন ও রাজনীতিতে যোগ  দেওয়ার গল্পটা জানতে চাই?

ইন্টারমিডিয়েট শেষ করে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য ঢাকা কলেজে ভর্তি হয়।

মুজিব আদর্শকে বুকে ধারন করি ছেলেবেলা থেকে। কলেজে ভর্তি হওয়া মাত্র ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয় কর্মী হিসাবে কাজ শুরু করি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলার সব আন্দোলনে অংশ গ্রহন করি,২০১৩ -২০১৪ সালে বি এন পি, জামাত, শিবিরের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করি, রাজাকারদের ফাঁসির চাই আন্দোলনে অংশ গ্রহন করি।

সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সহ সম্পাদক ফারুক হোসেন।

কোটা আন্দোলন, কোমল মতি শিশু আন্দোলন নামে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য যারা মাঠে নেমেছিল তাদের বিরুদ্ধে সক্রিয় ভুমিকা পালন করি।২০০৮ -২০১৬ ঢাকা কলেজের একজন ছাত্রলীগের কর্মী ছিলাম। ২০১৭ সালে আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হই এটা আমার জীবনে সব চাইতে গর্বের একটি বিষয় ছিল।।

বর্তমানে মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র ঢাকা কলেজ।

কারো উপড় কি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন? 

অবশ্যই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি  ।  প্রথমে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি বিশ্ব মানবতার মা, মমতাময়ী জননী, দেশরত্ন শেখ হাসিনা, তারপর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ভাই ও সাধারন সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ভাইয়ের প্রতি।

সভাপতি শোভনের সাথে সহসম্পাদক ফারুকের শুভেচ্ছা বিনিময়।
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদকের ফুলের শুভেচ্ছা।

নিজের জেলার জন্য কি করতে চান বা আপনার ভাবনা কি?   

সাতক্ষীরা নিয়ে চিন্তাঃ সাতক্ষীরা অনেক আগ থেকে এখানে জামাত শিবিরের ঘাটি আমি মনে করি বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস, বঙ্গবন্ধুর দেশ গঠনের সঠিক ভুমিকা, ১৯৪৮ থেকে ছাত্রলীগের এই পর্যন্ত সকল কর্মকান্ড তরুন প্রজন্মকে সঠিক ভাবে তুলে ধরবো জেলা ছাত্রলীগ কে সমন্বয় করে সাতক্ষীরাকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একটি আদর্শবান ইউনিট হিসাবে গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ।

বর্তমানে পদ পাওয়ার পর ছাত্রলীগ নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কি? 

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন হিসাবে আমার প্রত্যাশা দেশরত্ন শেখ হাসিনার সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা। আগামীতে ২০২০ সাল বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ১০০ বছর পুর্তি এবং২০২১ সাল স্বাধীনতার ৫০ বছর পুর্তি সুবর্নজয়ন্তী অনুষ্ঠান,, ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে বাস্তবায়ন হোক এটায় আমার প্রত্যাশা।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পঅর্পণের সময়।

নতুন কোন প্রত্যাশা জানতে চাচ্ছি   

নতুন প্রত্যাশা আমার কাছে এটাই,, বঙ্গবন্ধুর উচ্চ আদর্শ থেকে চুল পরিমান বিচ্যুতি হব না বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী অনুযায়ী কাজ করার সর্বোত্তক চেষ্টা করবো।।

ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য।  

Tags
Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close